মোঃ ছাবির উদ্দিন রাজু :
জীবন আর পেশা এই দুইয়ের মধ্যে মানবতা এবং দায়িত্বকেই বেছে নিয়েছেন বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সদস্যরা। চলমান করোনা পরিস্থিতিতে নিরাপদ থাকতে সবাই যেখানে বাসা-বাড়িতে অবস্থান করছেন।
সেখানে দিনরাত কাজ করে যাচ্ছেন ভৈরব থানা পুলিশ। কঠোর বিধিনিষেধের চতুর্থ দিন রোববার (৪ জুলাই) উপজেলার কয়েকটি চেক পোস্টে ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি)র নেতৃত্বে বিশেষ মহড়া দিতে দেখা গেছে।
গত ১ জুলাই থেকে ৭ দিনের সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হয়েছে দেশজুড়ে। এই সময়ে করোনার সংক্রমণ রোধে স্ব স্ব নিরাপত্তায় জনগণকে নিজ নিজ অবস্থানে বিশেষ করে বাসা-বাড়িতে থাকতে বলা হয়েছে সরকারের পক্ষ থেকে।
বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে শপিংমল, গার্মেন্টস, কলকারখানা, গণপরিবহন, রেস্টুরেন্টসহ বিভিন্ন ধরনের বিনোদনকেন্দ্র ও সব সরকারি – বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। সেবাখাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এবং জরুরি খাদ্য, ওষুধ ও নিত্য প্রয়োজনীয়দ্রব্য এর আওতামুক্ত।
দেশের সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এবং জনগণ যেন অহেতুক বাসা-বাড়ী থেকে বের না হন সে বিষয়টি নিশ্চিত করতে কাজ করছে পুলিশ সদস্যরা। পাশাপাাশি মাঠে আছে উপজেলা প্রশাসন, র্যাব ,সামরিক বাহিনীর সদস্যরাও। সরাসরি মাঠ থেকে কাজ করছেন গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলে আখ্যায়িত গণমাধ্যম কর্মীরাও।
প্রতিদিন সকাল থেকে ভৈরবে প্রশাসনের পার্শ্বে রয়েছেন ভৈরব প্রেসক্লাব,রিপোর্টাস ক্লাব, টেলিভিশন জার্নালিষ্ট ফোরাম,বিএমএসএফ ভৈরব শাখার সাংবাদিক বৃন্দ।
ভৈরব থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) মোঃ শাহিন সংবাদিকদের কে বলেন, সবাই জানেন যে, এই দায়িত্ব পালনে আছে ঝুঁকি, আছে খোদ মহামারি করোনায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাও।
তবুও ব্যক্তি স্বার্থ আর নিরাপত্তার চেয়ে মানবিক আর পেশার দায়িত্বকেই বেছে নিয়েছি। জীবনের ঝুঁকির মধ্যেই সিদ্ধান্ত নিয়েছি পেশাগত প্রতিশ্রুতি পালনের। ঝুঁকি আছে তাও কাজ করে যেতে হবে। আমাদের নিরাপত্তার জন্য সচেতনতা তো আছেই সর্বপরি মহান আল্লাহর উপর ভরসা রাখি।
এই বিষয়ে ভৈরবের পুলিশ বাহিনীর প্রশংসা করেছেন ভৈরবের সাংবাদিক নেতা তাজুল ইসলাম তাজ ভৈরবী,মোঃছাবির উদ্দিন রাজু,মোঃ সুমন মোল্লা প্রমূহ।
Leave a Reply